Monday, November 28, 2016
Sunday, November 27, 2016
Monday, October 5, 2015
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি রাঙ্গামাটি
9:01 PM
1 comment
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামের
রাঙ্গামাটি । এখানে পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ। নদী
বয়ে চলে তার আপন মনে। সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ যেন চুমু খায় নদী আর পাহাড়ের
বুকে। এখানে চলে পাহাড় নদী আর হ্রদের এক অপূর্ব মিলনমেলা। নদীর বাঁকে বাঁকে
বাতাস সুর তোলে আপন মনে। প্রকৃতির এই অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ নয়নে শুধু
চেয়ে থাকতে হয় অসহায় মানুষ হয়ে। চারপাশ দেখে মনে হয় আঁকা কোন জল রঙের ছবি।
এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য
অপেক্ষা করছে নয়নাভিরাম দৃশ্যপট। এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কাপ্তাই
হ্রদ ভ্রমন অন্যতম ও অসাধারণ। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্টি
হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত
হয়। অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে
নৌবিহারের অনুভূতি এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এতে করে অনুভূত হবে রোমাঞ্চকর
অনুভূতির । দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে চড়ে দিনভর নৌবিহার করা যেতে
পারে। মজার ব্যাপার হলো আপনি চাইলে এই হ্রদ ঘুরতে ঘুরতেই দেখে ফেলতে পারবেন
রাঙ্গামাটির অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলো। হ্রদটি ঘুরে দেখার জন্য আপনার
প্রয়োজন হবে একটি ভাল নৌযানের। রাঙ্গামাটি পর্যটন এলাকা থেকে সারাদিনের
জন্য বোট ভাড়া করলে দু’হাজার থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত টাকা লাগবে। পর্যটন
এলাকায় বোট ভাড়া একটু বেশি। রিজার্ভ বাজার থেকে বোট বা ট্রলার ভাড়া করলে
একটু কম দামে পাওয়া যাবে। এক হাজার থেকে বারশ’র মধ্যে হয়ে যাবে। উপজাতির
বসবাস: পাখির কুহুতান, সবুজের মাখামাখি আর অসংখ্য নৃগোষ্ঠী এই জনপদকে
দিয়েছে ভিন্ন এক রূপ। এখানে প্রায় ১৪টির মতো উপজাতী বসবাস করে। চাকমা,
মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, পাংখোয়া, লুসাই, সুজ
সাওতাল ও রাখাইন অন্যতম। নৃগোষ্ঠীর জীবন-যাপন ও সংগ্রাম আপনাকে যেমন মুগ্ধ
করবে তেমনি মুগ্ধ করবে এর পর্যটন এলাকাগুলো। দর্শনীয় স্থান: রাঙ্গামাটিতে
ভ্রমন করার জন্য রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে কাপ্তাই লেক,
পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, ঝুলন্ত ব্রিজ, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্না,
রাজবাড়ি, রাজবন বিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক
প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রাঙ্গামাটির অন্যতম
সুন্দর দর্শনীয় স্থান এটি। চমৎকার একটি জলপ্রপাত এই স্থানকে দিয়েছে ভিন্ন
একটি চরিত্র। রাজবাড়ি: রাঙ্গামাটি শহরেই অবসথিত রাজবাড়ি। চাকমা সার্কেল চিফ
রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও তার মা রাণী আরতি রায় এ রাজবাড়িতে থাকতেন।
চারদিকে হ্রদ বেষ্টিত এই রাজবাড়ি পুরনো হলেও দেখতে ও বেড়াতে ভীষন ভাল
লাগে। রাজদরবার, কাচারি, সজ্জিত কামানসহ দেখার মতো অনেক কিছু আছে। রাজবাড়ীর
নিরিবিলি পরিবেশ, সবুজ বাঁশের ঝাড় আর পাখির কলকাকলি আপনাকে মুহুর্তের
জন্য অঁচল করে দেবে। রাজবাড়ীর পাশেই উপজাতীয় নারীরা তাদের হাতে বুনা বস্ত্র
সম্ভার নিয়ে বসে থাকে বিকিকিনির জন্য। এসব পণ্য আপনার প্রয়োজন মেটাতে
পারে। তবে আসল রাজবাড়ী এখনো পানির নীচে। রাজবন বিহার: রাজবাড়ির পাশেই
আন্তর্জাতিক খ্যাত এই বৌদ্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। এখানে অবস্থান
করেন বৌদ্ব আর্য পুরুষ শ্রাবক বুদ্ধু সর্বজন পূজ্য শ্রীমৎ সাধনানন্দ
মহাসহবির বনভান্তে। এই বৌদ্ব বিহারে প্রত্যেক বছর কঠিন চীবর দানোৎসব হয় এবং
এখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীদের
ভিড়ে মুখরিত থাকে রাজবন বিহার এলাকা। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান বৌদ্ব
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েকটি বৌদ্ব মন্দির, বিশ্রামাগার, হাসপাতাল,
সর্বজনীন উপামনা বিহার.বনভান্তে সাধনা কুঠির,বনভান্তে চংক্রমন ঘর ও তাবতিংস
স্বর্গসহ অনেক কিছু রয়েছে দেখার মত। তবলছড়ি চাকমা বাজার: রাঙামাটি শহরে
এটি হলো একটি প্রধান উপজাতীয় বাজার। সপ্তাহে বুধ এবং শনিবার এ বাজার বসে।
উপজাতীয় কিশোর-কিশোরী, নারী এবং পুরুষরা এখানে আসে নানা ধরনের জিনিসপত্র
কিনতে। খাওয়া দাওয়া: রাঙ্গামাটি এসে স্থানীয় আদিবাসীদের খাবার না খেলে পুরো
ভ্রমনটাই অপূর্ণ থেকে যাবে আপনার। তাই ইচ্ছে করলে এবং যদি কপাল ভাল হয় তবে
আপনিও স্বাদ নিতে পারেন আদিবাসীদের হরেক রকম খাবারের। এদের অনেকগুলো পদের
মধ্যে কয়েকটি খাবারের পদ খুবই ভিন্ন প্রকৃতির ও সুস্বাদু। আপনি যে কোন
হেটেলেই এসব খাবার পাবেন না। তাই রাঙামাটি গেলে অবশ্যই আদিবাসিদের খাবার
খাওয়ার জন্য বলব সবাইকে। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান
রাঙামাটি।পর্যটন এলাকায় অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি
সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এই আকর্ষণীয়
স্থানটি। পর্যটকদের আকর্ষণের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ
আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে।
ঈদের ছুটিতে মন রাঙাবে রাঙামটি, আর তাই এবার রাঙামাটি ভ্রমণের কিছু টিপস !
8:59 PM
No comments
অপরূপ
দৃশ্যে মন রাঙ্গাতে এবারের ঈদে ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি থেকে। আপনার ঈদ
হয়ে উঠবে আনন্দময়ী। একবার ঘুরে আসলেই যাত্রাপথ, কাপ্তাই, রাঙামাটি, রাজবন
বিহার, জাফলং ঝরনা, কালিট্যাং-এর ছবি আঁকা হয়ে যাবে আপনার মানসপটে। বার বার
স্মৃতি হয়ে খেলা করবে হৃদয় মাঝে।
কিভাবে যাবেন:
রাজধানীর
সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বেশ কয়েকটি গাড়ি প্রতিদিন
রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামের বিআরটিসি, অক্সিজেন মোড় ও
বিভিন্ন বাসস্টেশন থেকেও রাঙামাটির গাড়ি পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাইভেট গাড়ি
নিয়েও ঘুরে আসতে পারেন রাঙামাটি। সেক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন অভিজ্ঞ চালক।
হোটেল ও গেস্ট হাউজ:
রাঙামাটিতে
রাত যাপনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অনেকগুলো হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে;
রয়েছে বোডিংও। বোডিংয়ের খরচ কম হলেও খুব ভালো ব্যবস্থা নেই।
কয়েকটি হোটেলের বর্ণনা:
(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স: ১২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষসহ বেশ কয়েকটি সিঙ্গেল ও ডাবল রুম রয়েছে এই হোটেলে।
(২) হোটেল সুফিয়া: এতে রয়েছে ২৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া ছোট-বড় সাধারণ কক্ষ রয়েছে আরও ৩৫টি।
(৩) হোটেল নিডস হিল ভিউ: ১৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও ১০টি সাদারণ রুম রয়েছে এতে।
(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল: এই হোটেলে রয়েছে ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম। এছাড়া সিঙ্গেল ও ডাবল রুমতো রয়েছে।
এছাড়াও
রয়েছে হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি,
হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি মধ্যম মানের হোটেল।
এর
সবকটি হোটেল-ই রাঙামাটি জেলা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। তাই এখানে অবস্থান
করেই খুব সহজেই ঘুরে বেড়াতে পারেন জেলার সবকটি দর্শনীয় স্থানে।
Sunday, October 4, 2015
বাংলাদেশে 9 টি অসম্ভব সুন্দর জায়গা! আপনার বিশ্বাস হবেনা এগুলো স্থান বাংলাদেশে আছে!
6:37 PM
No comments
1. নেত্রকোনার বিড়িসিড়ি
Photo by Tahsin Hossain 2.নেত্রকোনার বিড়িসিড়ির আরেকটি ভিউ

Photo by Iftekhar Alam Himel
3. সোমেশ্বরী নদী, নেত্রকনা
Photo by Farhana Jabin 4.সোমেশ্বরী নদী, নেত্রকনা। আরেকটি দৃশ্য

Photo by Hasib Wahab
5. সোনাদিয়া, কক্সবাজার
Photo by Chobir Kabbo 6.সোনাদিয়ার পাইন বন
Photo by Sinbad Konick7.সোনাদিয়াতে ক্যাম্পিং
Photo by masud ananda Photo by: shawccha saha
8. তিস্তা, রংপুর
Photo by: shawccha saha
9.রংপুরের তিস্তার আরেকটি দৃশ্য
ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন। আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।
Subscribe to:
Comments (Atom)










